মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার সেরা ১০টি এন্ড্রয়েড অ্যাপ

    মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার সেরা ১০টি এন্ড্রয়েড অ্যাপ
     

    এক সময় ভিডিও এডিটিং এর কথা ভাবলেই মনে হতো এই কাজটি বোধ হয় কম্পিউটার ছাড়া করা সম্ভব নয়। কিন্তু স্মার্টফোন আসার পর থেকে এই ধারণাটি পুরোপুরি বদলে গেছে।


    বর্তমানে কম্পিউটারের জন্য যেমন প্রচুর সংখ্যক ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার রয়েছে ঠিক তেমনি গুগল প্লে স্টোরে অ্যান্ড্রয়েডের জন্যও ভিডিও এডিটর অ্যাপ এর সংখ্যা নেহাত কম নয়।


    এই অ্যাপগুলো কাজের দিক দিয়ে যেমন অনন্য তেমনি এগুলোতে রয়েছে অসাধারণ সব ফিচার। গুগল প্লে স্টোরে থাকা এই ধরনের ভিডিও এডিটর অ্যাপ দ্বারা খুব সহজেই বেসিক মানের ভিডিও এডিট করা যায়।


    কিছু ক্ষেত্রে প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিটও করা সম্ভব। এই ভিডিও এডিটর অ্যাপগুলোর সাহায্যে আপনি আপনার ভিডিওগুলো সহজেই এডিট করতে পারবেন এবং তা ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার বা ইউটিউবে আপলোড করতে পারবেন।


    আজকের আর্টিকেলে মোবাইলে ভিডিও এডিটিং এর জন্য প্লে স্টোর হতে বাছাইকৃত ২০২১ সালের সেরা ১০টি অ্যান্ড্রয়েড ভিডিও এডিটর অ্যাপ নিয়ে আলোচনা করা হলো।


    আরো পড়ুনঃ-

    ১০ টি সেরা মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার(Best android video editing apps)

    01. KineMaster

    ভালো ইউজার ইন্টারফেস এবং ফিচার সমৃদ্ধ অ্যান্ড্রয়েডের জন্য একটি জনপ্রিয় ভিডিও এডিটিং অ্যাপ হলো KineMaster

    এই app টির ইন্টারফেস ডিসাইন খুব সুন্দর তারসঙ্গে ক্ষমতা সূম্পর্ণ ফিচারস এ ভরপুর।kineMaster একটি উপযুক্ত এন্ড্রোইড ভিডিও এডিটিং টুল। এখানে আপনি ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ ফিচারস এর মাধ্যমে যেকোনো মিডিয়া ফাইল ইম্পোর্ট করতে পারবেন সহজে।

    এখানে প্রফেশনাল ভিডিও এডিট করার জন্য অনেক ফিচারস মজুত রয়েছে,যেমন ভিডিও মধ্যে ট্রান্সিশন অথবা টেক্সট বা subtitles সংযুক্ত করা,handwriting,stickers, overlays,multiple video layer এই ধরণের বিভিন্ন স্পেশাল ফিচারস মজুত রয়েছে।

    তবে watermark রিমুভ করতে হলে আপনাকে প্রিমিয়াম app buy করতে হবে।  

    স্পেশাল ফিচারঃ-

    • মিডিয়া ফাইল ইমপোর্ট করতে রয়েছে ড্র্যাগ-এন-ড্রপ ফিচার
    • মাল্টিপল লেয়ার ব্যবহারের সুবিধা
    • রিয়েল টাইম প্রিভিউ সমর্থিত


    02. PowerDirector 

    PowerDirector একটি ফুলি ফিচার্ড অ্যান্ড্রয়েড ভিডিও এডিটিং অ্যাপ যার সহজেই ব্যবহারযোগ্য একটি টাইমলাইন ইন্টারফেস রয়েছে।

    পাওয়ার ডিরেক্টর একটি অসাধারণ বৈশিষ্ট সূম্পর্ণ এন্ড্রোইড ভিডিও এডিটর।এর টাইমলাইনে ভিডিও এডিট করার ইন্টারফেস সহজ,কিন্তু এর আদি হতে হয়তো আপনাকে কিছু সময় লাগতে পারে।তবে আপনি যখন একজন এক্সপার্ট হয়েযাবেন এই এপপ্স এর, তখন কয়েক মিনিটের মধ্যে প্রফেশনাল ভিডিও তৈরী করতে সক্ষম হবেন।

    আপনি আপনার ভিডিও মধ্যে ৩০ টি আলাদা আলাদা এফেক্টস,ট্রান্সিশন চুষ করে তাতে সংযুক্ত করতে পারেন।এখানে স্পেশাল ফিচারস গুলির মধ্যে একটি  slow mo video তৈরী করা যায়। 

    এই app এর সাহায্যে গ্রীন স্ক্রিন ভিডিও বানাতে পারেন, এখানে 1080p 4k video তে ভিডিও এক্সট্র্যাক্ট করা যায়।তবে এর বেশিরভাগ ফিচারস ফ্রি তবে এডস,watermark এবং 1080p 4k এক্সট্র্যাক্ট করতে হলে প্রিমিয়াম upgrad করতে হবে।

    স্পেশাল ফিচারঃ-

    • 4K রেজুলেশনে ভিডিও এক্সপোর্ট সমর্থিত
    • স্লো মোশন ভিডিও এডিটিং ক্যাপাবিলিটি
    • 'Chroma' কী সিলেক্টর সমর্থিত




    03. FilmoraGo

    FilmoraGo একটি অসাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ভিডিও এডিটর যা অনেক ব্যবহারকারীরই প্রথম পছন্দ।

    অ্যাপটিতে থাকা ভিডিও ট্রিমিং, ভিডিও কাটিং, থিম, মিউজিক ইত্যাদি সকল প্রাথমিক ফাংশন ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই ভিডিও এডিট করা করতে পারবেন।

    এই অ্যাপটি ব্যবহার করে আপনি বিভিন্ন অনুপাতে ভিডিও এডিট করতে পারবেন। যেমন ইন্সট্যাগ্রামের জন্য ১:১ অনুপাতের, ইউটিউবের জন্য ১৬:৯ অনুপাতের ভিডিও এডিট করা যাবে।

    FilmoraGo অ্যাপস এর মধ্যে কিছু প্রো features আছে সেগুলো এপপ্স এর মধ্যে কিনতে হয়, তবে এর বেশিরভাগ features গুলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন।আপনি ভিডিও এডিট করার পর গ্যালারি তে সেভ করতে পারেন  অথবা ডাইরেক্ট কোনো সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট শেয়ার করতে পারেন।FilmoraGo বর্তমানে সেরা এন্ড্রয়েড মোবাইলে ভিডিও এডিটিং app বলা যেতে পারে।

    স্পেশাল ফিচারঃ-
    • অসাধারণ সব টেমপ্লেট এবং ইফেক্ট এর লাইব্রেরি
    • প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং টুলস ইনক্লুডেড
    • রিয়েল টাইম প্রিভিউ সমর্থিত
    • ডিরেক্টট সোশ্যাল শেয়ারিং সমর্থিত



    04. ActionDirector

    ActionDirector বেশ জনপ্রিয় একটি ভিডিও এডিটর। এটি ব্যবহার করে খুব সহজে এবং দ্রুত ভিডিও এডিটিং করা সম্ভব।

    অ্যাপটিতে থাকা ভিডিও ট্রিমিং, ভিডিও কাটিং, থিম, মিউজিক, ফিল্টার, ইফেক্ট, ট্রানজিশন ব্যবহার করে অসাধারণ সব ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।

    4K সাপোর্ট করে এমন ভিডিও এডিটর অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এই ActionDirector। অ্যাপটিতে প্রয়োজনীয় ফাংশনগুলোর পাশাপাশি স্পিড এডিট, ভিডিও স্ট্যাবিলাইজার, স্লো মোশন, ফাস্ট মোশন, ভিডিও হাইলাইটিং সহ বেশ কিছু ফাংশন রয়েছে।

    স্পেশাল ফিচারঃ-
    • 4K সমর্থিত ভিডিও এডিটিং অ্যাপ
    • কালার, ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট, স্যাচুরেশন এডজাস্টমেন্টের সুবিধা
    • থাকছে এক ডজনেরও বেশি ট্রানজিশন



    5. Adobe Premiere Clip

    অ্যাডোব প্রিমিয়ার ক্লিপ আরেকটি অসাধারণ ক্ষমতা সূম্পর্ণ ভিডিও এডিটিং এপপ্স।এই এপপ্স এর সাহায্যে খুব তাড়াতাড়ি ভিডিও এডিট হয় এবং এর সার্ভিস খুব ভালো।অ্যাডোব প্রিমিয়ার এর সবথেকে সেরা বৈশিষ্ট হচ্ছে এর অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ফাঙ্কশন (automatic video creation)। 

    এই feature দ্বারা যেকোনো ফটো বা ভিডিও ক্লিপ সিলেক্ট করে অটোমেটিকলি ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন।তাছাড়া,আপনি এখানে এক সঙ্গে অনেক গুলো ভিডিও একসাথে এডিটিং করতে পারবেন,যথা কাটছাট করা,ট্রান্সিশন যুক্ত করা,music বা গান অ্যাড করা,এফেক্টস,ফিল্টারস ইত্যাদি সুবিধা রয়েছে।

    অ্যাডোব প্রিমিয়ার ক্লিপ সম্পূর্ণ ফ্রীতে ডাউনলোড করতে পারবেন।

    স্পেশাল ফিচারঃ-

    • অটো অডিও মিক্স ফিচার
    • অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি
    • ভিডিও অ্যাডোবি প্রিমিয়ার প্রো সিসিতে এক্সপোর্ট করার সুবিধা



    06. VideoShow

    VideoShow রিলিজ হওয়ার পর অনেকগুলো উল্লেখযোগ্য পুরষ্কার জিতেছে এবং নিঃসন্দেহে এটি প্লে স্টোরে থাকা ফ্রিতে উপলব্ধ অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ভিডিও এডিটিং অ্যাপগুলোর মধ্যে একটি।

    অ্যাপটিতে থাকা প্রয়োজনীয় ফাংশনগুলোর পাশাপাশি আপনি টেক্সট, ইফেক্ট, মিউজিক, সাউন্ড ইফেক্ট বা লাইভ ডাবিং যোগ করে আপনি আপনার ভিডিওটিকে আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে পারেন।

    এতে ৫০ টিরও অধিক থিম রয়েছে। এছাড়া আপনি অ্যাপটি ব্যবহার করে ভিডিও এর কোয়ালিটি ঠিক রেখে ভিডিও এর সাইজও কমাতে পারবেন।

    অ্যাপটির একটি ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস রয়েছে এবং অ্যাপটি ব্যবহার করাও সহজ। VideoShow-কে ফিল্মোরা গোর বেস্ট আল্টারনেটিভ বলা যায়, যা প্রায় সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনই সমর্থন করে।

    স্পেশাল ফিচারঃ-

    • ব্লারড ব্যাকগ্রাউন্ড, অডিও স্পিড এডজাস্টমেন্ট, ভয়েস এনহান্সমেন্ট ফিচার              সমর্থিত
    • ভিডিও বা স্লাইডশো আকর্ষণীয় করতে রয়েছে ৫০+ থিম
    • থাকছে ভিডিও এর সাউন্ড ট্র্যাক mp3 তে রুপান্তর করার সুবিধা




    07. Quik video editor

    quik আরেকটি চমত্কার ভিডিও এডিটং করার পন্থা।এই app টি ফাস্ট এবং ফ্রি।আপনি পছন্দের ভিডিও ক্লিপ গুলো বা ফটো গুলি সিলেক্ট করে নিজের বৈচিত্রময় stories তৈরী করুন।এই app এর শ্রেষ্ট বৈশিষ্ট হচ্ছে এর সঙ্গে আসা অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্ষমতা।

    আপনি ভিডিও কাটছাট,এফেক্টস,টেক্সট এবং music অ্যাড করে ভিডিওর সুন্দর্য বাড়াতে পারেন।এডিট করার পর আপনি 720p অথবা 1080p তে এক্সপোর্ট করতে পারেন।তাছাড়া আপনি video ডাইরেক্ট সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট এ ভিডিও শেয়ার করতে পারেন। 

    এই ভিডিও এডিটিং অ্যাপের একটি সিম্পল ইউজার ইন্টারফেস রয়েছে এবং অ্যাপটি দিয়ে ভিডিও এডিট করার সময় ৫০ টিরও অধিক ভিডিও এবং ফটো একসাথে এড করার সুবিধা রয়েছে।

    অ্যাডোব প্রিমিয়ার ক্লিপের মতো কুইকের অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি রয়েছে। অর্থাৎ আপনি ফটো বা ভিডিও ক্লিপ সিলেক্ট করে দিলে অ্যাপটি অটোমেটিক্যালি আপনার জন্য ভিডিও তৈরি করে দিবে।

    ভিডিও এডিট করার জন্য প্রায় সকল ফিচারই এতে প্যাক করা হয়েছে। আপনি যদি সিম্পল ইউজার ইন্টারফেস সমৃদ্ধ কোন ভিডিও এডিটর খুঁজে থাকেন তাহলে এটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

    এটি একটি ফ্রি এপপ্স এবং এর মধ্যে কোনো এড ও দেখতে পাবেন না।

    স্পেশাল ফিচারঃ-

    • অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি
    • থাকছে 60fps এ ভিডিও সেভ করার সুবিধা
    • ডিরেক্টট সোশ্যাল শেয়ারিং সমর্থিত



    08. Funimate

    FuniMate ভিডিও এডিটিং অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই ফানি ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। অ্যাপটিতে ১০০ টিরও বেশি অ্যাডভান্স ইফেক্ট রয়েছে।

    এটি তেমন শক্তিশালী ভিডিও এডিটিং অ্যাপ না হলেও আপনি অ্যাপটির সাহায্যে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য অসাধারণ সব শর্ট ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।

    এটি শর্ট ভিডিও তৈরি করার জন্য আদর্শ একটি অ্যাপ। অ্যাপটি ব্যবহার করতে হলে আপনাকে সাইন ইন করতে হবে। এরপর আপনি এটি ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন।

    এটি সম্পূর্ণ ফ্রি একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। তবে এতে অ্যাড ফ্রী ইউজার ইন্টারফেস না থাকায় আপনি বিরক্তিকর অ্যাডের সম্মুখীন হতে পারেন।

    স্পেশাল ফিচারঃ-

    • ডেডিকেটেড ফানিমেট ভিডিও কমিউনিটি
    • থাকছে কোলাজ ভিডিও তৈরি করার সুবিধা
    • ১০০+ অ্যাডভান্স ভিডিও ইফেক্ট



    09. VivaVideo

    VivaVideo অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। অ্যাপটিতে রয়েছে দারুণ সব ফিচার, যা আপনার অবশ্যই ভালো লাগবে।

    অ্যাপটিকে এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে খুব সহজেই ব্যবহারকারীগণ প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিট করতে পারেন।

    এটি ব্যবহার করে আপনি সহজেই সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য শর্ট ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। বিশ্বব্যাপী এর ২০০ মিলিয়নেরও বেশি ইউজার রয়েছে।

    অ্যাপটিতে কয়েক শত ইফেক্ট এবং ফিল্টার আছে যা ব্যবহার করে ভিডিওকে করা যাবে আরও সুন্দর ও আকর্ষণীয়।

    VivaVideo এর একটি ফ্রী ভার্সন প্লে স্টোরে রয়েছে। তবে এতে ওয়াটারমার্ক ও টাইম লিমিটের মতো কিছু লিমিটেশন রয়েছে। তাই প্রিমিয়াম ফিচারগুলোতে অ্যাক্সেস করতে আপনাকে অবশ্যই প্রো ভার্সনটি কিনতে হবে।

    স্পেশাল ফিচারঃ-

    • বিল্ট-ইন স্লো মোশন ভিডিও মেকিং ক্যাপাবিলিটি
    • ২০০+ ইফেক্ট এবং ফিল্টার এর কালেকশন
    • থাকছে কোলাজ ভিডিও তৈরি করার সুবিধা




    10. Movie Maker Filmmaker

    বর্তমানে Movie Maker Filmmaker যে সেরা ভিডিও এডিটিং অ্যাপগুলোর মধ্যে একটি তাতে কোন সন্দেহ নেই।

    অ্যাপটিতে বিভিন্ন ধরণের ভিডিও ইফেক্ট আছে এবং আপনি চাইলে নিজের কাস্টম ফিল্টার মনের মতো করে ডিজাইনও করতে পারবেন।

    এটি ব্যবহার করে ভিডিও এডিট করা অনেক সহজ। এটিতে প্রায় সব বেসিক ভিডিও এডিটিং ফিচার আছে। অ্যাপটি শর্ট ভিডিও তৈরি করার জন্য আদর্শ একটি অ্যাপ এবং এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

    গুগল প্লে স্টোর হতে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে এতে অ্যাড ফ্রী ইউজার ইন্টারফেস না থাকায় আপনি বিরক্তিকর অ্যাড এর সম্মুখীন হতে পারেন।

    স্পেশাল ফিচারঃ-

    • মিউজিক স্লাইডশো ফিচার সমর্থিত
    • মোশন ট্র্যাক এবং টেক্সট অ্যানিমেশন ইফেক্ট সমর্থিত
    • থাকছে কাস্টম ফিল্টার ডিজাইনের সুবিধা






    2 Comments

    আপনার মুল্যবান মন্তব্য "SP Bangla টিম" দ্বারা অ্যাপ্রুভ হওয়ার পর ব্লগে প্রদর্শিত হবে। অনুগ্রহপূর্বক কোন প্রকার স্প্যাম কমেন্ট করবেন না :-)

    1. স্যার, সত্যিই অনেক ভালো বুঝিয়েছেন, আপনার পোষ্ট টি আমার অনেক কাজে লেগেছে। এ রকম পোষ্ট অনেক খুজেছি কিন্তু পাইনাই।

      ReplyDelete
      Replies
      1. অনেক অনেক ধন্যবাদ

        Delete
    Previous Post Next Post